অপরাজিত থেকেই ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পা রাখলো বাংলাদেশ

0

অপরাজিত থেকেই ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পা রাখলো বাংলাদেশ। নিয়ম রক্ষার ম্যাচে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে টাইগার’রা। ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ উইকেটের দেখা পেয়েছেন আবু জায়েদ রাহি। আইরিশদের দেয়া ২৯২ রানের জবাবে, তামিম ও লিটনের উদ্বোধনী জুটিতে ভর করে– ৪৪ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় বাংলাদেশ।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়ম রক্ষার হলেও বাংলাদেশের জন্য ছিলো অনুশীলন আর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ম্যাচ। ত্রিদেশীয় সিরিজে অপরাজিত থেকে ফাইনালে নামার চ্যালেঞ্জও ছিলো টাইগারদের। আগের ম্যাচ থেকে একাদশে পরিবর্তন চারটি।

ডাবলিনে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিকরা। টুর্নামেন্টে প্রথম খেলতে নামা রুবেল হোসেন ফিরিয়ে দেন প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করা জেমস ম্যাক-কলামকে। তিনে নামা অ্যান্ড্রু বালবার্নিকে ২০ রানে ফিরিয়ে আবু জায়েদ দেখা পান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম উইকেটের।

স্টার্লিং শুরু থেকেই খেলছিলেন দুর্দান্ত। তাকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক পোর্টারফিল্ড। দুজনের জুটি ছাড়িয়ে যায় তৃতীয় উইকেটে আইরিশদের আগের রেকর্ড ১৩৮ রানকে। শেষ পর্যন্ত ১৭৪ রানের জুটি ভাঙেন আবু জায়েদ। ১৩০ রান করে থামেন স্টার্লিং। পোর্টারফিল্ড করেন ৯৪ রান।

আগের ম্যাচে অভিষেকে ভালো না করলেও, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা পেসার আবু জায়েদ রাহি আরেকটি সুযোগ পেয়ে মেলে ধরেছেন নিজের উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই পেয়েছেন ৫ উইকেটের দেখা। ৮ উইকেটে আইরিশদের সংগ্রহ ২৯২।

জবাবে, সুযোগ লিটন-মোসাদ্দেকদের, বিশ্বকাপের আগে নিজেদের অনুশীলনকে পূর্ণতা দেওয়ার। বড় রান তাড়ায় দলকে সামনে থেকে পথ দেখিয়েছেন তামিম। ছন্দে থাকা তামিমের সাথে লিটন কুমারও দূর্দান্ত। দলীয় ১০০ পূর্ন ১৫ ওভারেই।

ক্যারিয়ারে তামিমের ৪৬ আর লিটন কুমার তুলে নেন দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরি। ১১৭ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গে ৫৭ রানে তামিমের আউটে। লিটন হাত খুলেছেন এরপরই। আর তাতেই বিপত্তি..দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা এই ওপেনারকে ৭৬ রানে সাজঘরে পাঠান ব্যারি ম্যাককার্থি।

দুই ওপেনার ফিরে গেলেও কমেনি রানের গতি। সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাট যেনো সাবলিল। মুশফিক চড়াও বোলারদের ওপর.. সাথে যোগ্য সঙ্গ সাকিবের। ৩০ তম ওভারেই পূর্ণ দলীয় ২০০। ৩৫ রানে মুশফিকের আউটে ভাঙে ৬৪ রানের জুটি। ক্যারিয়ারের ৪২তম ফিফটি করার পরই সাইড স্ট্রেইনের জন্য মাঠ ছাড়েন সাকিব।

ম্যাচের বাকি কাজটি সারেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তার ৩৫ রানে ভর করেই ৪২ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয় পায় বাংলাদেশ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই ছন্দে, টাইগার’রা সহজেই হারায় আইরিশদের।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন