অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, ৩২ ধারার টার্গেট নয়

0

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, ৩২ ধারার টার্গেট নয়। প্রয়োজনে– আইনের মাধ্যমেই সাংবাদিকদের সুরক্ষা দেয়া হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রতিক্রিয়ায়, এমনটাই জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের মিট দ্য প্রেসে, তিনি এই আশ্বাস দেন। মন্ত্রী বলেন, উচ্চ আদালতে দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের দেয়া বক্তব্য ‘সঠিক’ এবং তা নিরসনে– প্রধান বিচারপতির কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে সরকার।

মন্ত্রিসভা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর যে খসড়া অনুমোদন দিয়েছে। এর ৩২ নম্বর ধারায় বলা আছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কেউ কোন তথ্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে। আর এধরণের অপরাধের সাজা ১৪ বছরের জেল বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের গুপ্তচর দাবী করে ৩২ ধারার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে গণমাধ্যমকর্মীরা।

মঙ্গলবার ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের মিট দ্য প্রেসে আইনমন্ত্রীর কাছে ৩২ ধারা নিয়ে নিজেদের শঙ্কার কথা জানান সাংবাদিকরা। এর জবাবে সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।৩২ ধারার সঙ্গে কয়েকটি উপধারা যোগ করে সুরক্ষা নিশ্চিতে সাংবাদিকদের দাবির প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেন আনিসুল হক।

দিন কয়েক আগে উচ্চ আদালতে দুর্নীতি এবং অনিয়ম সম্পর্কে দেয়া অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে সহমত পোষণ করে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনমন্ত্রী। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার রায় ঘোষণা করবে আদালত।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন