চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পুরো টুর্নামেন্টে খলনায়ক ছিলো বৃষ্টি

0

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতেছে পাকিস্তান; কিন্তু এবারের পুরো টুর্নামেন্টে খলনায়ক ছিলো বৃষ্টি। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়ার কপাল পুড়েছে বৃষ্টিতেই। আইসিসির কোন প্রতিযোগিতায় প্রাকৃতিক এমন বাধা আগে কমই দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক ইংল্যান্ডে বৃষ্টির আশঙ্কা ছিলো টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই। আইসিসির সংক্ষিপ্ত এই টুর্নামেন্টে ফাইনাল ছাড়া রিজার্ভ ডে ছিলো না গ্রুপ পর্ব আর সেমিফাইনালে। সে জন্য আইসিসির ভরসা ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি। পরিত্যক্ত হলে পয়েন্ট ভাগাভাগি।

মিস্টার ডাকওয়ার্থ লুইস সাহেবের এই পদ্ধতি মাথায় রেখেই মাঠের লড়াইয়ে খেলোয়াড়রা। পেছনের কাড়িগড় হিসেবে ভূমিকায় থিং ট্যাংকরা। কিন্তু এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে থিং ট্যাংদের কাজটা জটিল করে দিয়েছে প্রকৃতি। ম্যাচের ফলাফল নির্ধারনে পেছন থেকে কলকাটি নেড়েছে বৃষ্টি।

বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয় দু’টি ম্যাচ। এই দুই ম্যাচেই দুর্ভাগ্যের শিকার অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচেই বৃষ্টির হানা। প্রথম ইনিংস শেষ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া খেলতে পেরেছে মাত্র ৯ ওভার। নিয়ম অনুযায়ী ২০ ওভার খেলা না হওয়ায় পরিত্যক্ত হয় ম্যাচ।

নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে প্রথম ম্যাচের পর পরিত্যক্ত হয় বাংলাদেশের বিপক্ষে অজিদের দ্বিতীয় ম্যাচও। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের পর অস্ট্রেলিয়ার ১৬ ওভার খেলার পর বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি।

এরপরও বৃষ্টি পিছু ছাড়েনি অস্ট্রেলিয়ার। গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় বৃষ্টি আইনে। এই ম্যাচের হারে বিদায় হয় দু’বারের শিরোপা জয়ী অস্ট্রেলিয়ার।

বৃষ্টি আইনে ফলাফল নির্ধারিত হওয়া তিন ম্যাচের অন্য দু’টির স্বাক্ষি পাকিস্তান। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতেই হারতে হয় সফরফরাজদের।

অন্য ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় পাকিস্তান। বৃষ্টি আইনে হেরে বিদায় হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। অঘোষিত দুই কোয়ার্টার ফাইনাল দেখে ক্রিকেট বিশ্ব।

এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে মাঠের লড়াই হয়েছে বেশ। চমক দেখিয়ে বিশ্বকে অবাক করেছে বাংলাদেশ। তবে সবকিছু ছাপিয়েছে টুর্নামেন্টের খলনায়ক কিন্তু বৃষ্টিই।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন